রাজশাহীর প্রাণ-প্রকৃতি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি ও রিসাইক্লিং বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ২টায় বরেন্দ্র অঞ্চলের যুব, পরিবেশবাদী, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বৃহৎ ঐক্য বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম ও গ্রিন কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপিটি প্রদান করে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সিসা তৈরি ও রিসাইক্লিংয়ের ফলে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও সিসার ক্ষুদ্রকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানুষের শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, কিডনি জটিলতা, রক্তশূন্যতা ও ক্যান্সারসহ নানা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হয়ে কৃষিজমি, গবাদিপশু ও প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্মারকলিপিতে ইউনিসেফের একটি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক শিশুর রক্তে উচ্চমাত্রার সিসা পাওয়া যাচ্ছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় এর প্রভাব বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। সিসার বিষক্রিয়া শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সক্ষমতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়, রাজশাহীর পবা উপজেলার বিমানবন্দর সড়কে ফায়ার সার্ভিসের পাশের এলাকায় ‘এইট স্টার মেটাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সীমানার ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে পুরাতন ব্যাটারি পোড়ানোর মাধ্যমে সিসা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে আশপাশের পরিবেশ, কৃষিজমি ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে দাবি করেন সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা।
অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানো বন্ধে স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, পবাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানো অবিলম্বে বন্ধ করা, লোকালয় ও কৃষিজমির পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ কারখানা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ, পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া সিসা পোড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত এসব এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি। পাশাপাশি সিসা দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে মাইকিং ও সচেতনতামূলক সভার আয়োজন এবং স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া একই দাবিতে রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপ-পরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন এবং পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীনের কাছেও পৃথক স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পলি রানী, আমার বাংলা তরুণ সংঘের সভাপতি তাহমিদ জাকি, স্বচ্ছলতা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইহতেশামুল আলম জোহা, গ্রিন কোয়ালিশন রাজশাহীর সদস্য মিরাতুজ জাহান মিলি, রাকিব হাসান বাপ্পি, সুমাইয়া খাতুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সিসা দূষণ বন্ধের পাশাপাশি রাজশাহীর পুকুর-দিঘি, জলাশয় ও জলাধার সুরক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ২টায় বরেন্দ্র অঞ্চলের যুব, পরিবেশবাদী, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর বৃহৎ ঐক্য বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরাম ও গ্রিন কোয়ালিশনের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপিটি প্রদান করে।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে অবৈধভাবে সিসা তৈরি ও রিসাইক্লিংয়ের ফলে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও সিসার ক্ষুদ্রকণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি মানুষের শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, কিডনি জটিলতা, রক্তশূন্যতা ও ক্যান্সারসহ নানা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হয়ে কৃষিজমি, গবাদিপশু ও প্রাণবৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্মারকলিপিতে ইউনিসেফের একটি গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বিপুলসংখ্যক শিশুর রক্তে উচ্চমাত্রার সিসা পাওয়া যাচ্ছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় এর প্রভাব বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। সিসার বিষক্রিয়া শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ ও ভবিষ্যৎ সক্ষমতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্মারকলিপিতে আরও অভিযোগ করা হয়, রাজশাহীর পবা উপজেলার বিমানবন্দর সড়কে ফায়ার সার্ভিসের পাশের এলাকায় ‘এইট স্টার মেটাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সীমানার ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে রাতের আঁধারে পুরাতন ব্যাটারি পোড়ানোর মাধ্যমে সিসা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এতে আশপাশের পরিবেশ, কৃষিজমি ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে বলে দাবি করেন সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা।
অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানো বন্ধে স্মারকলিপিতে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, পবাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে ব্যাটারি পোড়ানো অবিলম্বে বন্ধ করা, লোকালয় ও কৃষিজমির পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ কারখানা স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ, পরিবেশ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স ছাড়া সিসা পোড়ানোর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত এসব এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি। পাশাপাশি সিসা দূষণের ভয়াবহতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে সরকারি উদ্যোগে মাইকিং ও সচেতনতামূলক সভার আয়োজন এবং স্থানীয় তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করার দাবি জানানো হয়।
এছাড়া একই দাবিতে রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, পরিবেশ অধিদপ্তর রাজশাহীর উপ-পরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন এবং পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীনের কাছেও পৃথক স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পলি রানী, আমার বাংলা তরুণ সংঘের সভাপতি তাহমিদ জাকি, স্বচ্ছলতা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইহতেশামুল আলম জোহা, গ্রিন কোয়ালিশন রাজশাহীর সদস্য মিরাতুজ জাহান মিলি, রাকিব হাসান বাপ্পি, সুমাইয়া খাতুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে সিসা দূষণ বন্ধের পাশাপাশি রাজশাহীর পুকুর-দিঘি, জলাশয় ও জলাধার সুরক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :